১. সংকট কালে জনগণের চাহিদা মিটাতে বিদেশ থেকে প্রয়োজনীয় পরিমাণ খাদ্য, জ্বালানি ও সার আমদানি করা হবে। এব্যাপারে সরকারী ক্রয় আইন ও বিধিমালা সংশোধন করা হবে।
২. বে-সরকারী ডিলারের মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে চাল বিক্রির জন্য প্রয়োজনানুসারে ওএমএস চালু রাখা হবে।
৩. টিসিবিকে সম্প্রসারণ অথবা নতুন সরকারী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে চাল, মুশুর ডাল, সয়াবিন তেল, গুঁড়োদুধসহ ভোগ্যপণ্য ক্রয় ও ভর্তুকিমূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
৪. চিনির মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে চিনির উৎপাদন, আমদানি এবং বাজারজাত করণ কার্যক্রম বাংলাদেশ সুগার এন্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের আওতায় আনা হবে।
Feature সংগঠন
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ
সাম্প্রতিক পোস্ট
বজ্রপাতে দেশের বিভিন্ন জেলায় অন্তত ১৪ জন মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ
-এ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের





