বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পটুয়াখালী জেলার সাবেক আমীর জনাব আবদুল জব্বার আযাদী ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ৮০ বছর বয়সে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র ও ৩ কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গিয়েছেন। ১২ জানুয়ারি সকাল সকাল ৯টায় জানাযা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
শোকবাণী
জনাব আবদুল জব্বার আযাদীর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ১২ জানুয়ারি ২০২৩ এক শোকবাণী প্রদান করেছেন।
শোকবাণীতে তিনি বলেন, জনাব আবদুল জব্বার আযাদীর ইন্তিকালে আমরা ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণ দাঈকে হারালাম। তিনি ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রচার ও প্রসারে তাঁর অনেক অবদান রয়েছে। আমি তাঁর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।
শোকবাণীতে তিনি আরো বলেন, তাঁকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ক্ষমা ও রহম করুন এবং তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন। তাঁর গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে তাঁর জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তাঁর শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।
অপর এক যুক্ত শোকবাণীতে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ্যাডভোকেট মুয়ায্যম হুসাইন হেলাল, পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মোঃ শাহ আলম ও সেক্রেটারি জনাব এ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, জনাব আবদুল জব্বার আযাদী ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক জীবন-যাপনের চেষ্টা করতেন। পটুয়াখালীর জেলার প্রতিটি এলাকায় দ্বীনের কাজে তাঁর বিচরণ ছিল স্মরণাতীত। তিনি দ্বীন প্রচার ও প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গিয়েছেন। আমরা তাঁর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি। আল্লাহ তায়ালা তাঁর জীবনের সকল নেক আমল কবুল করে তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসে দাখিল করুন এবং তাঁর শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে ছবরে জামিল দান করুন।





